conveylive.com

আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন

আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন এবং তার স্ত্রী শারমিন পারভীন সুচনা

LUCAS GREEN
LUCAS GREEN
May 24, 2016
0 Comments | 840 Views | 1 Hits
Rating: 0 LUCAS GREEN , আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন LUCAS GREEN , আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন LUCAS GREEN , আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন LUCAS GREEN , আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন LUCAS GREEN , আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন
News and Events


আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন , ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার ২/৩৯, রাজিয়া সুলতানা রোড এ বসবাসরত কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এ কর্মরত - এর হামলা , চুরি এবং শারীরিক নির্যাতন এর প্রেক্ষিতে, সে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেলে (মামলা নং - ৪১১/১৬) থাকবার পর বর্তমানে আবারো অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত আছে।

আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন অনেক আগে থেকেই তার পরিবারে বাবা-মা এর উপর শারীরিক ভাবে হামলা করে এসেছে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্মরত আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন তার বাবা ডা. মকবুল হোসেন কে অনেক আগে থেকেই টাকা - পয়সার জন্য চাপ দিয়ে টাকা আদায় করত, আর বিভিন্নভাবে সম্পত্তির দখল করার চেষ্টা করত। ২০০৮ সালে ডা. মকবুল হোসেন এর মস্তিস্কে স্ট্রোক এর কারণে মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ তার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন এর বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার। ডা। মকবুল হোসেন এর স্ত্রী জাকিয়া হোসেন নিজেও শারীরিক ভাবে অসুস্থ , আর তার বড় ছেলে মনজুর হোসেন তাকে আরও অসুস্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। বাবা মারা যাওয়ার পর , ২০১০ সালে ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ আল জাকির হোসেন নিজের চেষ্টায় বিদেশে পড়তে যায় , তখন থেকে শুরু হয় ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাত করার চেষ্টা আর সেখান থেকে চুরি করে চলার চেষ্টা। বিদেশে থাকা কালীন সময়েও ছোট ছেলে তার মায়ের এবং বাসার খরচ বহন করত। তারপরও তার মা জাকিয়া হোসেন কে অনেক শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার সহ্য করতে হইছে, অনেকবার আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন তাকে শারীরিক ভাবে আঘাত করে। এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আত্মসাত এর চেষ্টা করে যায়। বিভিন্ন আত্বীয় স্বজন এর মাধ্যমে এর মিমাংসা করতে গেলে মনজুর হোসেন তাদের উপরেও চড়াও হয়।

এইসব কিছুর বিবেচনায় ২০১৩ সালে আব্দুল্লাহ আল জাকির হোসেন তার মাকে নিয়ে নিজ সম্পত্তি একই বাড়ির ৩য় তলায় আলাদা হয়ে যায়। কিন্তু তারপরও তার বড় ভাই এর অত্যাচার কমে না, বিভিন্ন অজুহাতে অসংখ্যবার ছোট ভাই এর কাছ থেকে টাকা চুরির চেষ্টা করে যায়, সেই টাকা অনেক চেষ্টা করেও উদ্ধার করা পরবরিতে সম্ভব হয় নাই। সেই সব চুরির চেষ্টার অংশ হিসাবে ২০১৪ সালের এপ্রিলে তারা তাদের বাড়ির ইলেকট্রিক লাইন তার ছোট ভাই এর বাড়ির ইলেকট্রিক লাইন এ লাগিয়ে দেয়, যাতে করে তাদের বাড়ির বিল তার মা - ছোট ভাই কে দিতে হয়। এই সময়ে ছোট ভাই বিদেশে থাকার কারণে এই ঘটনা জানতে পারে না। এই ঘটনার পর থেকে তাদের অনেক হাজার টাকার বিল জাকির হোসেন কে দিতে হয়। পরবর্তিতে এরকম অস্বাভাবিক বিল আসার কারণ খুজতে ইলেকট্রিক অফিস এ যোগাযোগ করা হলে এই ঘটনা ধরা পরে , এবং লাইন ঠিক করানোর জন্য ইলেকট্রিক অফিস এ যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু বার বার চেষ্টা সত্তেও আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন মিটারের তালা খুলে দিতে অস্বীকার করে। এমনকি প্রাণহানির হুমকি প্রদান করে।

এবং শেষ পর্যন্ত ২৪ এ মে ২০১৬ সালে তার মা , ছোট ভাই এর স্ত্রী কে শারীরিক ভাবে মারধর করে যাতে করে মিটারের ব্যাপারে কোনো অনুসন্ধান করতে না পারে। এর ফলশ্রুতিতে উভয়েই ভয়ংকর ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং কাউকে কাউকে হাসপাতাল নিতে হয় , এই মর্মে মোহাম্মদপুর থানায় প্রথমে সাধারণ ডায়রি (নং ১৫৩৮) করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন এর বিরুদ্ধে গত বছর ১০ ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা হয় (মামলা নং - ৪১১/১৬)। এই মামলার প্রেক্ষিতে মনজুর হোসেন গত বছর জেলেও থাকে। এইসবের সূত্র ধরে তারা সাক্ষী দিতে বাধা এবং পানি ও গ্যাস এর বিল দেয়া বন্ধ করে দেয় ও পরবর্তীতে মার্চের ২ তারিখ পানির মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং আরও ক্ষতি করার হুমকি দেয়। তারপর থেকে বাসায় পানির সাপ্লাই বন্ধ আছে। এই বিষয় নিয়ে এর আগেও জিডি করা হয়েছে (জিডি নং - ৫৭১)।

যেহেতু মনজুর হোসেন এর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলায় তার মা সাক্ষী দিয়েছে এবং সেটা আবার দেওয়ার কথা আছে, গত বৃহস্পতিবার, ২৭/০৪/২০১৭ তারিখে, দুপুরে আব্দুল্লাহ আল মনজুর হোসেন, দুই জন লোক পাঠায়। এদের মধ্যে একজনের নাম বায়েজিদ ও ওপর জনের নাম বিপ্লব। বায়েজিদ নামের লোক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও নোংরা ভাষায় হুমকি দিয়েছে। মা কে বায়েজিদ হুমকি ও গালিগালাজ করেছে যাতে মা কোর্টে গিয়ে সাক্ষী না দেন। এমত অবস্থায় পারিবারিক ভাবে জাকিয়া হোসেন এবং তার ছেলের স্ত্রী নিরাপত্তা হীনতার মধ্যে আছেন, এ ব্যাপারে সবার সাহায্য আশা করছেন। মিসেস জাকিয়া হোসেন এর ফোন : +৮৮০ ১৫৩৪৩০৬৬৭২।

Author's note: Abdullah Al Monzur Hossain, Bangladesh University, World University, City University, Law Department, Dhaka, Razia Sultana Road, Domestic violence, torture, Sharmin Parvin Shuchona, Monzur
Keywords: Abdullah Al Monzur Hossain, Bangladesh University, World University, City University, Law Department, Dhaka, Razia Sultana Road, Domestic violence, torture, Sharmin Parvin Shuchona, Monzur



Please Signup to comment on this article